শিব ও পার্বতীর পুত্র। গণেশ জন্মাবার পর শিব গৃহে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে গণেশ তাঁকে বাধা দেন। কারণ পার্বতী গণেশকে বলেছিলেন, বাড়িতে যেন কেউ না ঢোকে। শিব নিজের পুত্রকে চিনতে না পেরে ক্রুদ্ধ হয়ে গণেশের মুণ্ডচ্ছেদ করলেন। পার্বতী বেরিয়ে এসে ছিন্ন-মস্তক পুত্রকে দেখে শোকে অধীর হয়ে শিবকে ভর্ৎসনা করতে লাগলেন। শিব তাড়াতাড়ি হাতের কাছে আর কিছু না পেয়ে একটি হস্তিমুণ্ড গনেশের দেহের ওপর বসিয়ে গণেশকে পুনর্জীবিত করেন। (অসীম ক্ষমতাশালী হয়েও শিব কেন গণেশের নিজের মুণ্ডটি দেহের ওপর বসালেন না - সেটা কোথাও পরিষ্কার করে বলা হয় নি)। সর্বজ্ঞ গণেশ খুব দ্রুত লিখতে পারতেন। ব্যাসদেবকৃত মহাভারতের শ্লোকগুলি গণেশ লিখতে রাজি হয়েছিলেন এই শর্তে যে, ব্যাসদেব শ্লোক বলার সময় কখনও থামতে পারবেন না। ব্যাসদেব বলেছিলেন যে, তিনি এতে সন্মত আছেন যদি গণেশ কথা দেন যে, তিনিও কোনও শ্লোকের অর্থ পুরো না বুঝে লিখতে পারবেন না। এই কারণেই ব্যাসদেব মহাভারতে কিছু কিছু কঠিন শ্লোক ঢুকিয়েছিলেন (এইগুলি ব্যাসকূট বলে পরিচিত) যার অর্থ বুঝতে গণেশের মত সর্বজ্ঞরও সময় লেগে যেত। সেই ফাঁকে ব্যাসদেব আরও কিছু শ্লোক বানিয়ে ফেলতে পারতেন।