বিদর্ভরাজের কন্যা ও অগস্ত্য মুনির ভার্যা। ওঁদের পুত্রের নাম দৃঢ়স্যু। বিবাহের পর লোপামুদ্রা মহার্ঘ বসন ও আভরণ ত্যাগ করে চীর বÅল ও মৃগচর্ম ধারণ করে ব্রতচারিণী হয়েছিলেন। দীর্ঘ তপস্যার পর পুত্রার্থে অগস্ত্য যখন পত্নীর সঙ্গে মিলিত হতে চাইলেন,তখন লোপামুদ্রা বললেন যে, তাঁর ইচ্ছা পিতৃগৃহে যেরকম শয্যায় তিনি অভ্যস্তা ছিলেন - সেই রকম শয্যায় ওঁদের মিলন হোক। আর যে বাস তিনি পরিধান করে আছেন - তা তিনি অপবিত্র করতে চান না। তাই তিনি চান মিলনের আগে দিব্য বসন ও ভূষণে নিজেদের আবৃত করতে। অগস্ত্য তখন ইল্বল দানবের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে লোপামুদ্রার ইচ্ছানুযায়ী শয্যা ও বসন-ভূষণাদির ব্যবস্থা করলেন। লোপামুদ্রার ইচ্ছায় ওঁদের একটি মাত্র পুত্র হল। দৃঢ়স্যু নামে (অপর নাম ইধ্মবাহ) এই পুত্র পরে মহাকবি ও বেদজ্ঞ হয়েছিলেন। লোমশ মুনি পাণ্ডবদের সঙ্গে ভ্রমণ করতে করতে অগস্ত্যের আশ্রম মণিমতী পুরীতে এসে লোপামুদ্রার গল্প বলেছিলেন।