এক ব্যাগ শংকর এবং একটি দুপুর

এক ব্যাগ শংকর এবং একটি দুপুর

আমাদের বাড়িতে কাচের পাল্লা দেওয়া একটা ব‌ইয়ের আলমারি থাকত। ছোট্ট, কিন্তু কী অমোঘ আকর্ষণ ছিল তার। তখন‌ আমি বিকেল হলে খেলতে যাই। খেলা মানে ওই আর কী। কিতকিত, কুমির ডাঙা, এল ও এন ডি ও এন লনডন কিংবা লুকোচুরি। খেলতে যাওয়ার সময়টা বাঁধা ধরা। একটু দেরি হলে শুনতে পেতাম বন্ধুরা বাইরে থেকে নাম ধরে ডাকছে। মনে আছে সেদিন আর নীচে যাইনি কারণ সারা দুপুর কেঁদেছিলাম। কাঁদলেই আমার চোখের পাতা ফুলে যায় বিশ্রীভাবে‌। ওরা কী ভাববে! বিশ্বাস করতে পারবে কেঁদেছি একটা গল্প পড়ে? 

শৈশবের স্মৃতি জিনিসটা অনেকটা ক্যালাইডোস্কোপের মতো। প্রতিবার নেড়েচেড়ে দেখার সময় একটু করে পাল্টে যায়। আজ যেমন মনে হচ্ছে মা তখন আমার পাশেই শুয়েছিল। দুপুরবেলা না ঘুমোলে রাতে পড়তে বসে ঢুলব তাই আমাকেও ঘুমোতে হত। ঘুমোনোর আগে একটা ব‌ই চাই। স্বর্গ মর্ত্য পাতাল আর এক ব্যাগ শংকর  পাশাপাশি রাখা। এক ব্যাগ শংকরটা-ই বের করেছিলাম। স্বর্গ, মর্ত্য কিংবা পাতালের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়নি, তার থেকে ব্যাগ ভর্তি গল্পের দিকেই ঝোঁক ছিল বেশি। 

তারপর এক কাণ্ড হল, ঘুম এল না একটুও। পাতার পর পাতা উল্টে গেলাম। কাকলির দাদু আর কাকলিকে নিয়ে কেটে গেল আমার গোটা দুপুর। শুধু সেই দুপুরটুকুই যে কেটেছিল তাই বা বলি কী করে? কোন ছোটবেলায় অপরিপক্ক মন নিয়ে পড়ে ফেলা গল্পটার ছাপ কি এখনও আমার মধ্যে নেই? সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় একটি সাক্ষাৎকারে বলছিলেন মানুষের স্মৃতি এক বিরাট নীহারিকার মতো, আকাশে জ্বলজ্বল করে। শুধুমাত্র মানুষটির মৃত্যুর সঙ্গেই তা শেষ হয়। 

‘এক ব্যাগ শংকর’ আর‌ও আরেকবার পড়লাম। কলেজ স্ট্রিটের ছোট্ট ব‌ইমেলায় দেখলাম বিক্রি হচ্ছে ব‌ইটা। ব‌ইয়ের উপরে লেখা আছে ১, ২২, ০০০ কপি মুদ্রিত! সত্যি? অবশ্য সত্যি না হলে লেখাই বা থাকবে কেন? সংখ্যাটা চমকে দেওয়ার মতো।

শংকর জনপ্রিয় লেখক, বেস্ট সেলার। শুধুমাত্র জনপ্রিয়তায় নিরিখে একজন সাহিত্যিকের মূল্যায়ন হ‌ওয়া উচিত কিনা তা বিচার করতে বিদগ্ধ হতে হয়। যতদূর জানি শংকরের সমকালীন লেখক যেমন বিমল কর, সৈয়দ মুস্তফা  সিরাজ, সমরেশ বসুকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল সাহিত্যিক হিসেবে শংকর কেমন, তাঁরা প্রত্যেকেই গা ছাড়া ভাব দেখিয়েছিলেন। বিমল কর তো বলেছিলেন, “excuse me for not being able to comment on him.” কোথাও যেন তাঁর থেকে খানিকটা দূরত্ব রাখতে চেয়েছিলেন এলিট সাহিত্যিকরা। তাতে অবশ্য লেখকের কিছু যায় আসেনি।

শংকর মারা যাওয়ার পর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়কে মুক্তকণ্ঠে বলতে শুনলাম যে সাহিত্যে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ কেবলমাত্র ফ্লুক হতে পারে না। জনপ্রিয়তা কে না চায়? এই যে নিজেকে নিংড়ে নিংড়ে একটু একটু করে লিখে চলেন লেখক তা তো পাঠক পড়বে বলেই। পাঠক‌ই ঈশ্বর। সেই ঈশ্বরকে স্পর্শ করতে জানতেন তিনি। 

এক ব্যাগ শংকরের দ্বিতীয় গল্প ‘কাকলির দাদু’ই মনে সব থেকে বেশি দাগ কেটেছিল। আদি সংস্করণে লেখক ব‌ইটা সম্পর্কে লিখেছেন, “অনেকদিন ধরে কেবল বড়দের জন্যই কলম পিষে এসেছি– ছোটো-বড় সবার জন্য একই সঙ্গে কিছু লেখার চেষ্টা করিনি।” 

কাকলি একটি বাচ্চা মেয়ে যে পুতুল খেলে, তাদের‌ সংসার সাজায়।‌ কাকলির একটি ছেলের বৌ পাঞ্জাবি, কারণ সে সালোয়ার কামিজ পরা। তাকে কোনভাবেই বাঙালি মেয়েদের মতো দেখতে নয়, তার‌ সঙ্গে কাকলিকে  হিন্দিতে কথা বলতে হয়। হিন্দিভাষী বৌমা নিয়ে ঘর করা কি চাট্টিখানি কথা! তাও সংসারের‌ স্বার্থে মানিয়ে নিয়েছে।  

এগুলো যখন পড়েছিলাম তখন নিশ্চয়ই মনে মনে কাকলি হয়ে উঠেছিলাম। আমিও এরকম পুতুল খেলতাম কিনা এখন সত্যি মনে পড়ে না। তবে পাঠক হিসেবে চরিত্রের সঙ্গে একাত্মতা অনুভব না করলে তো তার সঙ্গে কাঁদতে কিংবা হাসতে পারতাম না। মনে রাখতাম না সেই অলস দুপুরটার কথা। 

কাকলি যখন তার দাদুর আনা কুৎসিত একটা মাটির পুতুলকে সাত তাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়ানোর কথা ভাবছিল তখন কাকলির দাদু নির্মল চৌধুরী বাথরুমের দরজা বন্ধ করে চার বছর আগের মারা যাওয়া ছেলের জন্য শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন।‌ 

সেই দাদুই কিন্তু বাইরে বেরিয়ে এসে একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যান। মানুষের ভিতরের এই বেখাপ্পা দ্বন্দ্বগুলো বারবার উঠে আসে শংকরের উপন্যাসে।‌ সেই উপন্যাসের নাম চৌরঙ্গী, সীমাবদ্ধ, জন অরণ্য। ওগুলো বড়দের ব‌ই। কিন্তু শিশু হিসেবে কাকলির দাদু পড়তে গিয়েও ওই জায়গায় এসে একবার‌ও মনে হয়নি কান্নাটা অস্বাভাবিক। এই যে জীবনের বৈপরীত্যটুকু বুঝিয়ে দিলেন তাঁর খুদে পাঠকদের এ কি কম কথা? 

নির্মল চৌধুরীর ছেলে তার প্রেমিকাকে দেখাতে নিয়ে এসেছিল বাবাকে। কুরূপা মেয়েটিকে একটুও পছন্দ হয়নি তাঁর। সেই রাতেই ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। মেয়েটিকে বাড়ি পৌঁছিয়ে ফেরার পথে অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায় তেইশ বছরের‌ ছেলে।

আশ্চর্যের ব্যাপার হল, ছোটদের এই গল্পটাতে শংকর কিন্তু খুব একটা ছোটদের বিষয় লেখেননি। লিখেছেন রূঢ়তা, অহঙ্কার, মৃত্যু। লিখেছেন শোক, সন্তাপ, অনুশোচনা। একজন বড় মানুষ‌ও ভুল করে, শাস্তি পায়। আপাত সফল জীবনের ফাঁকফোকর দিয়ে তাঁকে বিষণ্ণতা ছুঁয়ে যায়। এই বিষণ্ণতাকে ছোটরাও চিনতে পারে।

কাকলিও দাদুর উপর খুব বিরক্ত হয়েছিল।‌ এমন টুকটুকে চেহারা যার, তার মেয়ে কী করে কালো, কুৎসিত হতে পারে? নির্মল চৌধুরী‌ও বুঝতে পারেন যে ঝোঁকের মাথায় একটা ভুল‌ই করে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু সেই ভুলটি দিয়ে শংকর কী অপূর্ব ফুল ফোটালেন! 

কাকলি যে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে বিদায় করতে চেয়েছিল তাকে হঠাৎ হারিয়ে ফেলার পর বুঝতে পারল পুতুলের সংসারের কুরূপা মাটির পুতুলটাকেই সে সব থেকে বেশি ভালোবাসে। ডাস্টবিন থেকে তাই আবার কুড়িয়ে আনল, ততক্ষণে সেই পুতুলের নাক খেয়ে নিয়েছে ইঁদুরে। সে আর‌ও কিছুটা কুৎসিত হয়ে উঠেছে কিন্তু তাতে কী? হারানিধি খুঁজে পেয়ে মেয়ে তখন আত্মহারা!

বড় বয়সে আরেকবার এই গল্পটা পড়তে গিয়ে বুঝতে পারলাম কাকলির দাদু আর‌ কাকলির বুক ভরা আর্তনাদকে তিনি একাকার করে দিয়েছেন, যেন দুটো বাইনারি। দুই মেরুতে থাকা দুজন অসম বয়স্ক প্রোটাগনিস্ট যেন গলা জড়াজড়ি করে কাঁদতে বসেছে, আকাশ বাতাস ছেয়ে যাচ্ছে অপূর্ব এক প্লাবনে। এ যদি সাহিত্য না হয় তবে সাহিত্য কী? 

মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়েছিলেন। বেঁচে থাকার জন্য কী না করেছেন তিনি! রাস্তার রাস্তায় ঘুরে গুঁড়ো সাবান ফেরি করেছেন, টাইপ রাইটার সারিয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা ভেঙে ভেঙে ছড়িয়েছেন লেখাতে। বাঙালি চিরকাল‌‌ই অদম্য জেদ ভালোবাসে‌, ভালোবাসে জীবন সংগ্রামে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস। স্বপ্ন, হতাশা, গ্লানি, প্রাপ্তিতে ব্যপ্ত তাঁর গল্পগুলোর চরিত্ররা ভীষণরকম রক্ত মাংসের। তাঁদের গায়ে লেগে থাকে শংকরের দেখা একেবারে বাস্তব চরিত্রগুলোর ঘাম। যেমন ‘ছেনোদা।’

এটি এক ব্যাগ শংকর ব‌ইয়ের শেষ গল্প, উত্তম পুরুষে লেখা। বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউশনে লেখকের সঙ্গে একসঙ্গেই পড়তেন ছেনোদা। তবে তাঁদের দুজনের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ।‌ ছেনোদা ক্লাস সেভেনে তিনবার ফেল, গাঁজা খায়। লেখক ভালো ছেলে। তখন থেকেই রীতিমতো ম্যাগাজিনে গল্প, কবিতা লেখেন। তাও ছেনোদা রাস্তায় ধরে লেখককে জিজ্ঞেস করেন, “কী করে গল্প লিখিস রে?” খারাপ ছেলে হয়েও ভালো ছাত্রের প্রতি ছেনোদার এই অকুণ্ঠ আবেগ মন ভরিয়ে দেয়।

ছেনোদা সেই মানুষ যিনি বিশ্বাস করেন যারা বানিয়ে বানিয়ে গল্প লেখে তারা সবাই রবীন্দ্রনাথ, তারা সবাই ভালো। ভালো অর্থে পবিত্র। খারাপ ছেনোদার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যায় বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউশনের ভালো ছাত্রের।‌ ছেনোদা লেখকের দুঃসময়ে তাঁকে টাইপরাইটার সারানোর কাজ দেন।

বাস্তব অভিজ্ঞতার ভেতরে‌ই ফিকশনের বীজ লুকোনো থাকে। সেই বীজকে কী ভাবে লালন করে তার গা থেকে কচিদুটো পাতা ফুটে উঠবে, এদিক ওদিক ডালপালা মেলে ধরবে তা একান্তভাবেই লেখকের নিজস্বতা। লেখক হিসেবে শংকর কিন্তু আদৌ প্রেডিক্টেবল নন। 

ছেনোদা লেখকের চুরি করা দুটো ফিড রোলার নিজের  পকেটে ভরে নেন, বলেন, “ওকে ছেড়ে দিন, ওর কোনো দোষ নেই।” এই ঘটনার পর ছেনোদার তিনমাসের জেল হয়। অক্সার ওয়াইল্ড বলেছিলেন, “every saint has a past and every sinner has a future.” কিন্তু এখানে কোথায় আর ভবিষ্যৎ র‌ইল ছেনো মন্ডলের।

একবার চোরের তকমা গায়ে লেগে গেলে তা থেকে মুক্তি কি আছে? অথচ যে লেখকের জন্য ছেনোদা চুরি করল তাঁর কিন্তু ভালো হল। শংকর লিখছেন, 

অনেক অগ্নি-পরীক্ষার পর সংসারের দেবতা একদিন ক্ষমা সুন্দর চক্ষে আমার উপর কৃপাবর্ষণ করলেন। সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে আমি উপরে উঠতে শুরু করেছি। দরদী সাহিত্যিক হিসেবে আমি পাঠকমহলে হঠাৎ পরিচিত হয়েছি। আমার রেকর্ড যে শরতের আকাশের মতোই নির্মল। পৃথিবীর কোথাও, এমনকি চন্দননগরের পুলিশ খাতাতেও আমার সম্বন্ধে কিছু লেখা নেই!  

জীবনের নিষ্ঠুরতা সম্পর্কে ওই বয়সের বাচ্চাদের একটা ধারণা করে দিলেন লেখক। কোনও আপ্তবাক্যে ভোলালেন না। ছেনোদা দাগি আসামি হয়ে উঠেছিল, রোজ রাতে পুলিশ এসে তার খবর নিয়ে যেত। এদিকে বিখ্যাত হয়ে যাওয়ার পর কোনওদিন লেখক তাঁর ছেনোদার খোঁজ পর্যন্ত নেননি। 

সাহিত্যিক শুধু বিনোদন বিক্রি করে জনপ্রিয়তা অর্জন করবেন, তাঁর সমাজের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই এই বিষয়টা শংকরের ক্ষেত্রে খাটে না। তাই ‘ছেনোদা’ গল্পে লেখকের চরিত্রটি সীমাবদ্ধ, ছেনোদা সর্বব্যাপী। শেষ পর্যন্ত মরে গিয়েও মহান হয়ে যায় ছেনোদা, সব কিছু পেয়েও লেখক একেবারে গো হারান হেরে যায়। এক‌ই স্কুলে পড়া ছেনোগুণ্ডা আর‌ লেখকের মধ্যে কে যে আম আর‌ কে যে আমড়া তা পাঠক হিসেবে বুঝতে বাকি থাকে না।

এক ব্যাগ শংকর প্রথম যে উপন্যাস দিয়ে শুরু হয় তার নাম ‘খারাপ লোকের খপ্পরে।’ বাকিদুটো গল্পের তুলনায় উপন্যাসটা কিছুটা হাল্কা। 

“চাঞ্চল্যকর চুরি! রয়টার খবর দিচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে সর্দি ভাইরাস চুরি হয়েছে।” পিকলু আর তার দাদু মিলে কী করে এই চুরি যাওয়া সর্দি ভাইরাসের কেসটা উদ্ধার করল, উপন্যাসটা তাই নিয়ে। বাচ্চাদের ভালো লাগবে‌।‌ 

আমার শুধু মনে ছিল একটা লাইন, “সর্দি ভাইরাস থেকে হয়।” আসলে ছোটবেলা থেকে সর্দির ধাত, টুক করতেই ঠান্ডা লেগে যেত। তাই বোধহয় মনে ধরেছিল লাইনটা। শৈশবের স্মৃতি সত্যিই ক্যালাইডোস্কোপ। মনে পড়ল কেঁদে কেঁদে সর্দিও হয়ে গিয়েছিল সেদিন। মায়ের আঁচলে নাক মুছছিলাম। 

এক ব্যাগ শংকর এবং স্বর্গ মর্ত্য পাতাল দুটো ব‌ই ইন্টেলেকচুয়ালদের খোঁচা খেয়েছিল। জনপ্রিয়তাকে এনক্যাশ করার জন্য‌ই নাকি লেখক এবং প্রকাশকের এই চেষ্টা। তবে চেষ্টাটা যে সফল তা বলে দেয় মুদ্রিত সংখ্যা ১, ২২, ০০০। স্বর্গ মর্ত্য পাতালের বিক্রিত কপি কত আমার জানা নেই তবে কাছাকাছি‌ই হবে আশা করি।  

আমাদের ব‌ইয়ের আলমারিটা ছোটো ছিল। ওইটুকু ফ্ল্যাটে ওর থেকে বড় আলমারি জায়গা করতে পারেনি। আলমারিটা আমাদের মতো মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের একটা ছোট্ট অহংকারের মতো ছিল। ইন্টেলেকচুয়ালরা যাই বলুন, এখন‌ও দেখলাম সাধারণ পাঠক হু হু করে কিনছে ব‌ইদুটো। তাদের ব‌ইয়ের আলমারিতে হয়তো রাখবে পাশাপাশি।

এইভাবে‌ই মারা যাওয়ার পরেও দিব্যি বেঁচে থাকবেন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় ওরফে শংকর।

রুমি বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজীর স্নাতক এবং ম্যানেজমেন্টের স্নাতকোত্তর। লেখালেখির শুরু লিটল ম্যাগাজিন দিয়ে। কয়েকটি মুদ্রিত‌ সংকলনে গল্প এবং কবিতা স্থান পেয়েছে। ‘পুরাণকথা পরণকথা’, ‘শেষ চিঠি’, ‘বরফকাঠি জমজমাটি’, ‘কবিতা তোমায় ভালোবেসে’, ‘অণুতে অসীম’, ‘ফ্যান্টাসায়েন্জা’ এমন কয়েকটি সংকলন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *