পাঠ প্রতিক্রিয়া: যেতে যেতে যেতে

পাঠ প্রতিক্রিয়া: যেতে যেতে যেতে

পাঠ প্রতিক্রিয়া

উপন্যাস : যেতে যেতে যেতে

শংকর 

প্রকাশক : সাহিত্যম 

পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২০০

প্রথম প্রকাশ : নভেম্বর, ১৯৯৪

ত্রয়োদশ সংস্করণ : জুলাই, ১৯৯৫ 

মূল্য : ৩০/-


যেতে যেতে যেতে

যাঁর সঙ্গে দেখা;

দেখতে দেখতে দেখতে

যাঁকে ভালোলাগা;

ভালো লাগতে লাগতে লাগতে

যাঁকে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসা।

এর ওপরে লেখা ছিল, “পরলোকগত সাহিত্যসাধক শ্রী বিমল মিত্রের পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশে!”মণিশংকর মুখোপাধ্যায়ের যেতে যেতে যেতে বইটার উৎসর্গের পাতা এটাই। হ্যাঁ, সেই মণিশংকর মুখোপাধ্যায়, যাঁকে আমরা ‘শংকর’ বলে বেশি চিনি।   

স্বাভাবিকভাবেই শুরুর লাইনগুলো পড়ে ভেবেছিলাম বইটা বোধহয় প্রেমের বই। বইয়ের প্রচ্ছদও অমন, আরেক কালজয়ী শিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়ের টিপিক্যাল স্টাইল, সুন্দর একটি নারীর মুখ, পিছনে দাড়িগোঁফসহ একজনের মুখ, ওঁর হাতে একটি পেন ধরা। বলে দিতে হয় না, উনি একজন লেখক। চোখের দৃষ্টি, মাথার উশকোখুশকো চুল নিরুচ্চারে প্রচ্ছদের পুরুষটির পরিচয় বলে দেয়, স্পষ্ট উচ্চারণে। 

অথচ গল্প যখন শুরু হল, দেখলাম সোমেশ্বর মুখোপাধ্যায় একজন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক। তিনি একটি বক্তৃতা লিখবেন ওর বাল্যবন্ধু শিবেশ্বর দাঁ – এর অনুরোধে। কী লিখবেন? লেখক সোমেশ্বর লিখছেন নিজের জীবনের কথা। কী বিপুল অভিজ্ঞতাময় সেই জীবন! ২২/৭ হালদারপাড়া লেনের নকুলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় পক্ষের প্রথম সন্তান সোমেশ্বর। তারপর তিন বোন, ইরা, ইলা এবং ইভা। নকুলেশ্বর উকিল ছিলেন; তেমনি উকিল যাঁরা সারাজীবন চেষ্টা করেও নিজেকে দাঁড় করাতে পারেন না, পসার জমাতে পারেন না। সোমেশ্বরের কলেজে ঢোকার আগেই তিনি মারা যান। তারপর থেকে সোমেশ্বর বলে সেই কিশোর ছেলেটির শুধুই সংগ্রাম, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই! শুধু এইটুকু মাত্র সম্বল, “আমায় লিখতে হবে।”

কী করে হয়? একজন লেখক? সোয়েটারের উলের মতন একটার সঙ্গে আরেকটা জীবন মিলিয়ে মিশিয়ে কী করে একজন সাহিত্যিক বুনে চলেন অদ্ভুত সেইসব জীবনের কাহিনি? এইখানে, ঠিক ঠিক এইখানে যেতে যেতে যেতে উপন্যাসটি এসে ধাক্কা মারে। 

সৌমিত্রদা আমার আঁকার স্যার ছিলেন। নামেই স্যার, আমার চেয়ে বছর দশ বারো বড় হবে। আসলে আমি আঁকা শেখা শুরু করেছিলাম কলেজে ওঠার পর। সে অন্য গল্প। সৌমিত্রদা বারবার বলত, “দেখ দেখ! না দেখলে আঁকবি কী?” তখনও তেল রং অনেক পরের কথা, ভালো করে প্যাস্টেলও ধরতে শিখিনি। হ্যাঁ, শিখতে সবকিছুই হয়। পেনসিল ধরাও। ওই, ঠিক সা তে সা-টা লাগানোর মতো। ওটা সাধনা। 

বলতাম, “আমি কিছুই পারি না, সব দেখে কী করব?” মফস্বল থেকে কলকাতায় শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আসা সৌমিত্রদা উত্তর দিত, “ওরে গাধা, আঁকা কি শুধু পাতায় হয়? প্রথমে মনে মনে আঁকতে হয়! মনে মনে কী ভাবিস? যেগুলো দেখিস সেগুলোই তো আঁকিস! যা মানুষ দেখে না, তা মানুষ আঁকতেও পারে না।” 

আসলে উপন্যাসটা পড়তে পড়তে বারবার এই ছোট্ট ঘটনাটা মনে পড়ছিল। কারণ সোমেশ্বর মুখোপাধ্যায়, ষাট বছরের প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক গোটা বইতে বারবার এনেছেন সাহিত্যিক বিমল মিত্রের কথা। হ্যাঁ, সেই সাহেব বিবি গোলাম, কড়ি দিয়ে কিনলাম, এই নরদেহ – এর মতো উপন্যাসের জনক বিমল মিত্র। বইয়ের একদম শুরুতে বইটি যাঁকে উৎসর্গ করেছেন স্বয়ং শংকর। উপন্যাসে বিমল মিত্র জ্যান্ত একটি চরিত্র। তিনি অবলীলায় বলছেন, 

লাস্টটা কী হবে ঠিক করেই ভগবান মানুষের জন্ম দেন, আমার চরিত্রদের ভগবান তো আমি। সুতরাং আমিও কায়দাটা শিখে নিয়েছি এই ক্যাওড়াতলা বার্নিং ঘাট স্টাডি করে। শেষ ঠিক না করে কখনও শুরু করবেন না। …আসলে আমি মনের মধ্যে পাতার পর পাতা লিখে যাচ্ছি। আবার ছিঁড়ে ফেলছি। জানেনই তো, সৃষ্টি মাত্রেই ভীষণ অপচয়। আম গাছে কত মুকুল আসে এবং সে তুলনায় কটা ফল হয়?

গোটা বইতে বিমল মিত্র অসংখ্যবার এসেছেন, সশরীরে। এবং কী করে একজন লেখক লেখেন, কীভাবে লেখা উচিত, সৃষ্টির যন্ত্রণা এবং উপশম নিয়ে একের পর এক ক্লাস নিয়ে গেছেন। হ্যাঁ, ক্লাস ছাড়া আর কিচ্ছু বলতে পারলাম না। আর শুধু বিমল মিত্র নন, এসেছেন প্রেমেন্দ্র মিত্র, শিবরাম চক্রবর্তী, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সত্যজিৎ রায় পর্যন্ত। আসলে শংকরের লেখায় তো এক আবিষ্ট সরলতা থাকে, পড়তে পড়তে মনে হয় না সাহিত্য পড়ছি, মনে হয় গল্প করছি চরিত্রগুলোর সঙ্গে! এতটাই স্পর্শযোগ্য এবং সহজ কথন। একটা সময় মনে হচ্ছিল এ বুঝি লেখকের নিজের আত্মজীবনী শুনছি। ওঁর সঙ্গে এইসব মহারথীদের সখ্যতা, ওঁরা কী ভাবতেন, লেখকের নিজের লেখা খুঁজে বেড়ানোর গল্প, ওঁর বিপন্নতা সবকিছু ধরা আছে এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। সত্যি বলতে নিজে লেখার চেষ্টা করি বলে এইসব জায়গাগুলো গিলছিলাম পড়তে পড়তে। মনে হচ্ছিল, যাঁরা লিখতে চান, প্রত্যেকের বুঝি বইটা বাইবেলের মতো! মাথার কাছে নিয়ে ঘুমোতে যাওয়া উচিত। 

এখানে একটা জিনিস বলে রাখি, উপন্যাসের যে গতি, সেটা এখানে বেশ শ্লথ। পড়তে পড়তে মনে হবে না লেখকের কোথাও পৌঁছনোর তাড়া আছে বলে। সোমেশ্বর মুখোপাধ্যায় নিজের জবানিতেই বলছেন,

 দর্শক ও ম্যাজিশিয়ানের সম্পর্কটা অদ্ভুত ধরনের – ঠকবার জন্যই পয়সা দিয়ে টিকিট কিনে না ঠকবার জন্যে কী বিপুল প্রচেষ্টা! একালের কথাসাহিত্যেও প্রায়ই তাই ঘটছে। লেখককে বিশ্বাস নেই, তাঁর ওপর সারাক্ষণ পাঠকের সাবধানী দৃষ্টি ; অথচ কে না জানে, এই পৃথিবীর সমস্ত সেরা সৃষ্টির পিছনেই রয়েছে বিশ্বাস। সীমাহীন বিশ্বাস। 

বইয়ের শুরুর পাতাতেই এটুকু বলে লেখক বুঝিয়ে দিয়েছেন, পাঠকের সঙ্গে কোথাও চালাকি নেই এই বইয়ে। এই বই একজন নীল স্বপ্ন দেখা চোখের কিশোরের লেখক হয়ে ওঠার উপাখ্যান। তাতে উত্তেজনার পারদ নেই, আছে জীবনের প্রতি প্রগাঢ় শ্রদ্ধা আর সাহিত্য কী করে সাধনা হয়ে ওঠে, তার বর্ণনা। সোমেশ্বর মুখোপাধ্যায় লিখছেন, “দুনিয়ার সেরা গল্পগুলো অনেকসময়ই অতি সহজ গল্প, পাঠক শুরুতেই বুঝতে পারে কী ঘটতে চলেছে। কী ঘটবে তার জন্য লুকোচুরি না খেলে লেখক জয়মাল্য কুড়িয়ে নেন কেমন করে ঘটবে তার বর্ণনা দিয়ে।” বলাই বাহুল্য লেখক এই জয়মাল্য অনায়াস সাবলীলতায় অর্জন করেছেন। 

যেকোনো উপন্যাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক বোধহয় তার চরিত্র চিত্রণ। এখানেও ওই কথাটা চলে আসে। “আঁকতে গেলে দেখতে হবে।” এই আপ্তবাক্য মেনে নিয়েই লেখক এঁকেছেন দীননাথের মতো চরিত্র, এইট পাস দীননাথ লোকের বাড়ি কাজের লোক হতে চায়, হয়ে যায় পুলিশের হয়ে ট্যাক্সিওয়ালাদের থেকে টাকা তোলার দালাল। সে মুম্বাই যেতে চায়। অথবা কার্জন পার্কের পচা কলা কিনে খাওয়া সেই ভিখিরি, যে জানে কলকাতা শহরে কোথায় কোথায় অন্নসত্র আছে, জলসত্র আছে। নিখরচায় খিচুড়ি পাওয়া যায়, কী কোন  রেস্তোরাঁ সকালে আগের দিনের না বিক্রি হোয়া ফিরনি অকাতরে বিলিয়ে দেয়। ট্যাক্সিওয়ালা নোনতাকাকু, ইনকাম ট্যাক্স অফিসার স্নেহাশিস ধর। কী অদ্ভুত অদ্ভুত সব চরিত্র, তাঁদের শেড আর ট্যাক্সি চালাতে চালাতে সোমেশ্বর দেখেন পিছনের সিটে বসেছেন স্বয়ং জরাসন্ধ। সেদিনই তরুণ সোমেশ্বরের সামনের সিটের পাশে পড়ে আছে লৌহকপাট। প্রবীণ সাহিত্যিক তরুণ সোমেশ্বরকে বলছেন, “সবাই লিখতে পারে; কারণ ঈশ্বর সবার বুকের মধ্যে গল্প গুঁজে দেন কখনও সুখে, কখনও দুঃখে।” যেতে যেতে যেতে উপন্যাসটা এমনই মায়াবী রূপকথায় মোড়া, বাস্তবের জমিতে দাঁড়িয়ে আঁকা সেইসব অপরূপকথা।  

উপন্যাসের জায়গায় জায়গায় এসেছে একটা পরিবার, সোমেশ্বর, তিন নাবালিকা বোন আর মা’কে নিয়ে টিঁকে থাকার লড়াই। কিছু সোনায় মোড়া মুহূর্ত আছে, সত্যি বলতে এঁকেছেন লেখক, যেখানে এক বোনের পড়ার সুযোগের খবরে তিন বোন একে অন্যকে এগিয়ে দেয়, ড্রাইভিং লাইসেন্স জোগাড় করার তিনশো টাকা জোগাড় করার জন্য মা খুলে দেন হাতের বালা আর সোমেশ্বর সেটা বিক্রি না করতে পেরে বন্ধক রাখতে বাধ্য হয়। বাড়িতে ঠোঙা বানানো থেকে শুরু করে প্রাইভেট টিউশন, দীনবন্ধুর মতো পুলিশের হয়ে গাড়ি থেকে পয়সা তোলা, ট্যাক্সি চালানো কী নয়। তবু বিকেল হলেই তরুণ সোমেশ্বর ছুটে গেছেন আমেরিকান লাইব্রেরিতে। সেখানে একে একে উঠে আসছেন ইয়েটস, জোসেফ কনরাড, এইচ জি ওয়েলস অথবা টি এস এলিয়ট। আর সোমেশ্বর আমাদের জানিয়ে দিচ্ছেন, “যাঁরা জাত লেখক হন লেখাটাই তাঁদের স্বভাব। তাঁরা সুখ পেলে লেখেন, দুঃখ পেলে লেখেন, তাঁরা সময় পেলে লেখেন, সময় না পেলেও লেখেন।”

এভাবেই সোমেশ্বর একটু একটু করে লেখক হয়ে উঠেছেন। অনুভা এই বইয়ের খুব ছোট্ট, কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা চরিত্র। অনুভা সেই মহিলা যিনি সোমেশ্বরের প্রথম গল্প পড়ে চিঠি লিখেছিলেন। সে চিঠি সযত্নে রেখে দিয়েছিলেন তরুণ লেখক। সুনীল গাঙ্গুলির মতন বিড়বিড় করেছিলেন, “যোগ্য হও যোগ্য হয়ে ওঠো!” ভেবেছিলেন, অনুভার পরের চিঠির জন্য ওঁকে আরেকটা ভালো গল্প লিখতে হবে। তারপর একদিন ট্যাক্সি ড্রাইভাররূপে লেখককে দেখতে পেয়ে অনুভা চলে যায়। এই জায়গাটায় লেখক নাটকীয়তা দেখাতে পারতেন। অধিকাংশ লেখাতেই দেখতে পাই সত্যি বলতে। কিন্তু তিনি শংকর, মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। তাই অনুভার আসা এবং চলে যাওয়া দুইই তিনি লিখলেন নিতান্ত নিরাসক্তির সঙ্গে। খিদেকে লেখক বলেছেন, “পেটের ভেতর একরকম অনুভূতি।” বেদনাও তো বুকের ভেতরের এক অব্যাখ্যাত অনুভূতি। অনুভূত হয়, খানিকক্ষণ চুপ করে বসে থাকতে হয়। তারপর বইয়ের প্রথম পাতায় ফিরে যেতে হয়। যেতে যেতে যেতে, দেখতে দেখতে দেখতে, ভালো লাগতে লাগতে লাগতে যাকে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার কথা লেখক বলেছেন, তা এই জীবন। হাতের পাতায় শিশিরের জলের মতো, আলোর মতো, কালোর মতো, দুঃখের মতো, সুখের মতো, বেদনার মতো, নগ্ন নির্জন হাতের মতো প্রবাহমান জীবন। 

২২/৭ হালদারপাড়া লেনে ইলেকট্রিকের লাইন কেটে দিয়েছিল সিইএসসির লোক। সেই লাইন ফেরত এসেছিল, মায়ের হাতের বালা ফেরত এসেছিল, ইরা, ইলা, ইভার বিয়ে হয়েছিল। সেই পুরনো ভাড়াবাড়ি ছেড়ে বিখ্যাত সাহিত্যিক সোমেশ্বর মুখোপাধ্যায় উঠে এসেছিলেন নতুন ফ্ল্যাটে। এটুকুই গল্প। কিন্তু গল্পের মধ্যে যে গল্পগুলো থাকে, দুটো লাইনের মাঝের সাদা অংশে যেটুকু জলের দাগ লেগে থাকে, কী যত্নে আঁকেন মণিশংকর মুখোপাধ্যায়! 

যেতে যেতে যেতে – তে তাই কখন আমরাও সোমেশ্বরের সঙ্গী হয়ে উঠি, ওঁর সঙ্গে হাসি, কাঁদি, আর দেখি খোলসের মধ্যে কী করে একজন মানুষ, মানুষ থেকে গন্ধর্ব হয়ে উঠছেন। আলো পড়ে দ্যুতি বেরোচ্ছে সেই মুক্তোর মতন সাহিত্যিকের শব্দ থেকে, সাধনা থেকে। এই যাত্রা একজন লেখকের। যে যাত্রার সঙ্গী হয়ে ওঠে পাঠকও। আসলে শংকর এমন একজন কথাশিল্পী যিনি জানেন, জানতেন জীবন সরলরেখা নয়। আমাদের পথের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে অজস্র বাঁক, মণিমুক্তও। তবু আজীবন বিমল মিত্রের সেই অমোঘ কথাটাকেই মান্যতা দিয়ে গেছেন, “শক্ত কথাকে সহজ করে বলার মতন কঠিন কাজ পৃথিবীতে নেই।”

আর কে না জানে, এই কঠিন কাজটা আজীবন কী অবলীলায় করে গেলেন মণিশংকর মুখোপাধ্যায়!


নয়ন বসুর জন্ম কলকাতায়, পেশায় আয়কর আধিকারিক। নেশায় পাঠক, শ্রোতা, দ্রষ্টা এবং একদম শেষে লেখালিখি। বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন এবং জানলা দিয়ে পাহাড় দেখা গেলে হোটেল থেকে বেরোতে চান না। ভূতে বিশ্বাস করেন না, কিন্তু ভয় পান। ভয় পান উচ্চতা, প্রিয়জনের দূরত্ব এবং পাঁচ বছরের সন্তানের কান্না। প্রিয় খাবার বিরিয়ানি, প্রিয় মানুষ যারা বিরিয়ানি খাওয়ান। অপছন্দ মিথ্যে কথা। পছন্দ পুরোন আমলের বাড়ি, মেঘ আর ঘুম। প্রকাশিত বই একটি, নাম জামিলা। জীবনের লক্ষ্য চোখ বুজবার আগে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রেমের কবিতাটি লিখে যাওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *