সম্পাদকীয়

প্রত্যাশা মতই ১৫ই জুলাই আমরা হাজির অবসর বর্ষা সংখ্যা নিয়ে। ভারতে অবশ্য বর্ষা বেশ অনিয়মিত, এল নিনোর প্রভাবে কোন কোন জায়গায় বৃষ্টির মাত্রা খুবই কম। কোথাও আবার দারুণ প্রকোপ, জনজীবন বিপর্যস্ত।

ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে যে রণদামামা বেজে উঠেছে তাতে বিবদমান পক্ষদের হুঙ্কার বিরতির কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। সারা বিশ্বকেই এর ফল ভুগতে হচ্ছে। তবুও আশা রাখতেই হবে মানুষের শুভবুদ্ধির ওপর।

ক্রীড়াজগতের দিকে তাকালে কিন্তু কিছুটা আশার সঞ্চার হচ্ছে। শুরু হয়েছে ফুটবলের মহারণ। এই সময় বিশ্বের বিরল জনসংখ্যার দেশগুলিকে এই প্রতিযোগিতায় ভাগ নিতে দেখে এবং অত্যাশ্চর্য ফলাফল করতে দেখে আমাদের আক্ষেপের শেষ থাকে না। কিন্তু প্রকৃত পরিকল্পনার অভাব বড়ই চোখে পড়ে।

ভারতীয় পুরুষ দল যখন আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে ভীষণভাবে পর্যুদস্ত হচ্ছে, সেই সময়ই হঠাৎ এক রূপালি ঝিলিক এল ভারতের নারী বাহিনীর হাত ধরে। লর্ডসের বিখ্যাত সেই মাঠের ফলকে নাম তুলে ফেললেন দুই ভারতীয়। তাই নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন সপ্তক সান্যাল।

ক্রিকেটের আম্পায়ারদের প্রতি একটি সহানুভূতিশীল লেখা রইল কলরব রায়ের কলমে।

ক্রীড়া বিভাগে প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার শৈলেন মান্নাকে নিয়ে ব্যক্তিগত গদ্য লিখছেন ঘনশ্যাম অধিকারী। এবার প্রথম পর্ব।

সম্প্রতি কিছু আবিষ্কারের ভিত্তিতে মিশর ও ভারতীয় সংস্কৃতির আদানপ্রদানের ইতিহাস ধরা পড়বে দিলীপ দাসের লেখায়।

সাহিত্য বিভাগে আমরা শুরু করছি অমিত চক্রবর্তীর ধারাবাহিক প্রবন্ধ, এবারে প্রথম পর্ব।

নারী ও সমাজ বিভাগে রইল চারটি প্রবন্ধ। অদিতি ঘোষ দস্তিদার লিখেছেন খোদ আমেরিকাতে ‘এলজিবিটিকিউ কমিকসের অস্তিত্বের লড়াই’ নিয়ে। সুনৃতা মাইতির লেখা কুইয়ার ইকোলজিকে নিয়ে। অভীক দাস লিখেছেন প্রথম ভারতীয় মহিলা সিরিয়াল কিলারের বিষয়ে। সঞ্চারী ভট্টাচার্য্য তুলে ধরেছেন নারীবাদী আন্দোলনের একটি সংক্ষিপ্ত ঘটনাক্রম। 

ভ্রমণে বাঙালিদের চিরকালীন আগ্রহ। রইল চারটি ভ্রমণ কাহিনি। লিখেছেন, সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, তপন রায়চৌধুরী, নন্দিতা মিত্র এবং অর্চন চক্রবর্তী।

রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ঋতু বর্ষা। তাঁর বিভিন্ন লেখাতে বর্ষার অনুষঙ্গ নিয়ে লিখেছেন অগ্নীশ্বর সরকার।

দিব্যেন্দু ধর তাঁর লেখায় এনেছেন বাংলা প্যারডি গানের বিরাট ঐতিহ্যের কথা। 

এছাড়া রইল অচ্যুত মজুমদারের রম্যরচনা এবং দিলীপ মাশ্চরকের ধারাবাহিক ব্যক্তিগত গদ্য।

বইচই বিভাগে রইল  মির্জা রফিউদ্দিন বেগের চন্দ্রকান্ত মণ্ডলের গল্পগ্রন্থ ‘কুড়িয়ে পাওয়া গল্প সংগ্রহ’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

সকল পাঠকদের কাছে আমাদের নিবেদন তাঁরা লেখাগুলি পড়ে যদি তাঁদের মন্তব্য আমাদের “COMMENTS” বিভাগে লিখে দেন তাহলে তা পত্রিকার সম্পদ হিসেবে রক্ষিত হবে। লেখকরাও উৎসাহিত বোধ করবেন।

জন্ম কলকাতায়, বেড়ে ওঠা দক্ষিণ চব্বিশ-পরগনার রাজপুর-সোনারপুর অঞ্চলে। ১৯৮৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে। শখের মধ্যে অল্প-বিস্তর বাংলাতে লেখা - অল্প কিছু লেখা রবিবাসরীয় আনন্দবাজার, উনিশ-কুড়ি, নির্ণয়, দেশ, ইত্যাদি পত্রিকায় এবং বিভিন্ন ওয়েব ম্যাগাজিন (সৃষ্টি, অবসর, অন্যদেশ, পরবাস ইত্যাদিতে) প্রকাশিত। সম্প্রতি নিজের একটি ব্লগ চালু করেছেন – www.bhaskarbose.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *