নারীবাদ ও অনুবাদ

আজকের সাহিত্য জগতে ‘অনুবাদ’ একটি বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। কিছুদিন আগেও তা কিন্তু ছিল না। ধরে নেওয়া হত অনূদিত রচনা ‘সাহিত্য’ তো নয়ই, বরং অনুবাদ বেশ নিম্নস্তরের শৈলী। প্রথিতযশা লেখকেরা অনুবাদের ধারেকাছে ঘেঁষতেন না। আমি যখন বড়ো হচ্ছি, তখন ইংরেজি আর রাশিয়ান ভাষায় লেখা নামকরা গল্প, উপন্যাসের বাংলা অনুবাদ পড়েছি। অনুবাদকের নাম জানতাম না, জানতে ঔৎসুক্যও ছিল না। অর্থাৎ অনুবাদককে মান্যতা দেওয়ার রেওয়াজ ছিল না। অনুবাদ পড়তাম সাহিত্যের স্বাদ নিতে নয়, অন্য কারণে। রাশিয়ান বইগুলোর ছবি আর বাঁধাই ছিল চমৎকার, দাম আমার মধ্যবিত্ত পরিবারের ধরাছোঁয়ার মধ্যে। ইংরেজি সাহিত্য অনুবাদের দামও ছিল সস্তা। প্রথমে পড়েছিলাম শেক্সপীয়ারের রচনার অনুবাদ – ছোটো গল্পের আকারে। ফলে বহুদিন অবধি আমার ধারণা ছিল শেক্সপীয়ার গদ্যে ছোটো গল্প লিখতেন। তিনি যে পদ্যছন্দে লিখতেন তা জেনেছি অনেক পরে।
তখন অনুবাদের ভূমিকা ছিল ইংরেজি কম-জানা পাঠককে বিদেশি সাহিত্যের সঙ্গে যেমন তেমন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। সেই অনুবাদ উৎস-রচনার সঠিক প্রতিনিধিত্ব করছে কিনা বিচার করা হত না। পরে বুঝেছি সেদিনের বাংলা অনুবাদ অনেক ক্ষেত্রেই অনুবাদকের ‘আপন মনের মাধুরী মিশায়ে’ সৃষ্টি করা হত। তবে সাহিত্যপ্রিয় বাঙালি বিদেশি, বিশেষ করে ইংরেজি সাহিত্য পড়তে সবসময়ই উদ্গ্রীব ছিল। তাই ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের চল ছিল বেশি। বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনূদিত বই ছিল বলে জানি না। ‘গীতাঞ্জলী’ অবশ্যই এর ব্যতিক্রম।
এই একতরফা সাহিত্য-চালান আমাদের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের ফসল। উপনিবেশকারী ইংল্যান্ড ও তার উপনিবেশ ভারতের মধ্যে ক্ষমতার অসাম্য প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন ভাবে – সাহিত্যও বাদ পড়েনি। ফলে আমরা, বাঙালি/ভারতীয়রা ইংরেজি সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি বেশি, তার উল্টোটা ঘটেনি। ইদানীং ইংরেজি সাহিত্যের দরবারে দক্ষিণ এশিয় লেখকের প্রতিপত্তি বেড়েছে, কিন্তু তাঁদের সিংহভাগ লেখেন ইংরেজিতে। অর্থাৎ বাংলা বা ভারতের আঞ্চলিক সাহিত্য অনূদিত হয়ে ইংরেজি ভাষাভাষীর মধ্যে ছড়িয়ে যায়নি। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে আরম্ভ করেছে মাত্র এক কি দু’দশক আগে, অনুবাদ সাহিত্যের সম্মান বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে।
অনুবাদ সহজ কাজ নয়। অনুবাদ শুধু এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করা নয়। সফল অনুবাদ এক দেশের ভাবনা-চিন্তা, শিল্পকলা, দর্শণ, সমাজ কাঠামো, বিশেষত সংস্কৃতি অন্য দেশবাসীর কাছে পেশ করে। অনুবাদ বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে। এক দেশের সংস্কৃতি ভৌগলিক সীমা পার হয়ে সম্পূর্ণ অচেনা এক পাঠক গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মেলায়। ফলে ‘আপন মনের মাধুরী’ মেশানো অনুবাদ হয় বিফল। অজানা পরিপ্রেক্ষিত পাঠক উপলব্ধি করতে পারবে না আশঙ্কায় অনুবাদক বিদেশি সংস্কৃতিকে দেশি মোড়কে সাজান। অর্থাৎ রচনা সহজপাচ্য করতে গিয়ে অনুবাদের চাঁদমারি থেকে তাঁরা সরে যান। ভুলে যান, অনুবাদের পাঠক নিষ্ক্রিয় খাদক হলে চলবে না, তাকে সক্রিয় বোদ্ধার ভূমিকা নিতে হবে।
দেশবিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুবাদ সাহিত্য এখন একটি সম্মানিত বিষয়। অনুবাদ সাহিত্য নিয়ে গবেষণা, আলোচনা, পঠনপাঠন, বিতর্ক, সবই চলছে। অন্যান্য বিষয়ের মতো অনুবাদচর্চারও বিবর্তন ঘটেছে, এবং ঘটছে। প্রথমদিকে অনুবাদের মানদণ্ড ধরা হত উৎস-রচনার প্রতি বিশ্বস্ততা। মূল রচনার প্রতিটি শব্দ, যতিচিহ্ন, পরিচ্ছেদ, রক্ষা করতে পারলেই তা হত সফল অনুবাদ। উৎস এবং টার্গেট, দুই ভাষার শব্দ যতটা সম্ভব কাছাকাছি রাখার নির্দেশ থাকত এই ধারায়। কিন্তু আক্ষরিক অনুবাদ করলে আসল অর্থই যে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়! এ নিয়ে একটা মজার গল্প বলি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে আমি অনেক সময় দোভাষীর ভূমিকা গ্রহণ করি। বাংলা এবং বাংলার উপভাষা থেকে ইংরেজিতে মৌখিক অনুবাদের কাজ। একবার আদালতে ডাক পড়ল একটি বিশেষ কেসে – বাদী এক সিলেটি ভদ্রলোক এবং বিবাদী একজন ইংরেজি বলা অ্যামেরিকান। অভিযোগ – বিবাদী ইচ্ছে করে বাদীকে গাড়ির ধাক্কা মেরেছে। এই ধাক্কার ফলে সিলাটি ভদ্রলোকের পা এবং কোমর ভেঙে বহুদিন হাসপাতালে ছিলেন। বিবাদীর উকিল প্রমাণ করার চেষ্টা করছিল এই ধাক্কা একটা দুর্ঘটনা – অ্যাক্সিডেন্ট। তা যদি হয় অবশ্যই তার মক্কেলের দায়িত্ব অনেকটা লঘু হয়ে যাবে। এদিকে সরকারি উকিল দাবি করছে ধাক্কাটা ইচ্ছাকৃত – ইন্টেনশানাল। যতই সিলেটি ভদ্রলোককে প্রশ্ন করা যায় উনি কাতর হয়ে বলেন, ‘এই দুর্ঘটনার ফলে আমি দুই মাস কাজে যাইতে পারি নাই,’ ‘দুর্ঘটনায় কত হাড় ভাঙসে।’ আমি পড়লাম মুশকিলে। ‘দুর্ঘটনা’ শব্দটির আক্ষরিক অনুবাদ করলে ‘অ্যাক্সিডেন্ট’ বলতেই হয়, আর তাহলে বিবাদীর যুক্তি স্বীকার করা নিতে হবে। আসলে ভদ্রলোক তো বলতে চান ধাক্কাটা তাঁর ‘ক্ষতি’ করেছে। ‘কী করি! কী করি! শেষে বিচারককে বোঝালাম আমাদের ভাষায় ‘দুর্ঘটনা’ শব্দটার পরিধি বৃহৎ, নানান অর্থ বহন করে। ‘দুর্ঘটনা’ সবসময় ইংরেজি ‘অ্যাক্সিডেন্টে’র সমতুল নয়। বিচারক শব্দটা আরেকটু বিশ্লেষণ করার সময় দিলেন। ভদ্রলোক মৃতদার। স্ত্রী হঠাৎ ক্যানসারে মারা গেছেন। সরকারি উকিলকে বললাম, “ওঁকে জিজ্ঞেস করুন স্ত্রীর মৃত্যু ওঁর জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে।” জিজ্ঞেস করতেই ভদ্রলোক বললেন, “সেও আমার জীবনে এক বিশাল দুর্ঘটনা।” এই উক্তিতে দুর্ঘটনার বিবিধ অর্থ প্রাঞ্জল হল। শেষ পর্যন্ত কেসের রায় গেল সিলেটি ভদ্রলোকের দিকে।
অনুবাদের প্রাথমিক পর্যায়ে ধরে নেওয়া হত অনুবাদক থাকবে অদৃশ্য। তার কাজ হল মূল লেখককে পাঠকের সামনে আনা। অনুবাদকের মতামত, অভিজ্ঞতা, সৃষ্টিশৈলী, সবই লুকিয়ে রেখে প্রাধান্য দিতে হবে উৎস-রচয়িতার সৃষ্টিশক্তিকে। গোলমাল বাধল যখন অনুবাদক এবং অনুবাদ-তাত্ত্বিকরা এই অন্ধ বিশ্বস্ততার বিরোধিতা করলেন। তাঁদের মতে অন্য রচনার মতো অনুবাদসাহিত্যও হওয়া উচিত বিবর্তনশীল। অনুবাদক যখন কোনো রচনা পড়ে, সে লেখাটি ব্যাখ্যা করে তার জীবনের অভিজ্ঞতা, সাংস্কৃতিক পটভূমি, ও বিশ্বদর্শণ অনুযায়ী। অর্থাৎ সে অনুবাদ করে নিজের পরিপ্রেক্ষিত থেকে। তাকে যদি গণ্ডী বেঁধে দেওয়া হয়, অনুবাদ হবে বন্ধ্যা। রচনাকালের সংস্কৃতি, লেখকের পক্ষপাতিত্ব, অনুবাদকের জীবনাদর্শ চাপা দেওয়া যায় না। দেওয়া উচিত নয়। নিরপেক্ষ অনুবাদ বলে কিছু নেই, সে দাবি মিথ্যে। সুতরাং মেনে নিতে হবে অনুবাদ হল মূল লেখক ও অনুবাদকের যৌথ প্রচেষ্টা। এই সমালোচনা থেকেই আরম্ভ হল অনুবাদ সাহিত্যের দ্বিতীয় পর্যায়, যেখানে অনুবাদকের ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে বসল।
অনুবাদের জগতে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গে এল আরেক ঝড়। নারীবাদী সাহিত্যকর্মীরা বললেন অনুবাদ শুধু অনুবাদকের দৃষ্টিকোণের প্রতিফলন নয়, অনুবাদ রাজনৈতিক ক্রিয়াকাণ্ড। এই তত্বের প্রধান প্রবক্তারা ফরাসী এবং ক্যানাডার নারীবাদী গোষ্ঠী। এঁদের মতে, মূল লেখায় পুরুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, ভাষা, চেতনা, আর নৈতিকতা, সবই চ্যালেঞ্জ করে নারীবাদী পরিপ্রেক্ষিত। নারীবাদী অনুবাদের কাজ হল মূল রচনার মধ্যে অবস্থিত পিতৃতন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলা। অনুবাদের মধ্যে দৃষ্টিগোচর করতে হবে নারীর সামাজিক অবস্থান, জোরদার করতে হবে নারীর কণ্ঠস্বর, আর উজ্জ্বল করে তুলতে হবে পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে নারীর প্রতিবাদ।
তার মানে কি নারীবাদী অনুবাদক শুধু মহিলাদের লেখা অনুবাদ করবেন? তা কখনোই নয়। বরং অনেক নারীবাদী অনুবাদকের মতে পুরুষের লেখা গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে অনুবাদ করা খুবই জরুরি। এতে পুরুষ লেখকের রচনায় নারী বিদ্বেষী মনোভাব চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু অনুবাদ, যা কিনা একটি রচনা অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করা, কী করে মূল লেখার বাইরে গিয়ে কাজ করবে? নারীবাদী অনুবাদকেরা এ ব্যাপারে দিশা দেখিয়েছেনঃ
১) শব্দচয়নঃ অনুবাদে এমন সমার্থক ও প্রতিশব্দ বাছুন যা নারীবাদী মতাদর্শ পেশ করবে।
২) বানানঃ শব্দের নারীবাদী বিকল্প বানান ব্যবহার করুন। যেমন woman বা women-এর বদলে womyn বা wemyn, girl-এর জায়গায় grrrl। এই দুটি শব্দেরই ব্যতিক্রমী বানান ইঙ্গিত করে নারী শক্তিময়ী, আধুনিক, এবং পুরুষতন্ত্রের আগলমুক্ত।
৩) পাদটীকাঃ পাদটীকা ব্যবহার করে নারীবাদী মতাদর্শ ব্যাখ্যা করুন।
৪) মুখবন্ধঃ অনুবাদকের প্রচ্ছন্নতা খারিজ করে তার অস্তিত্ব ব্যক্ত করুন। মূল রচনা সমালোচনা করে ভূমিকা লিখুন। উৎস-লেখায় বুনে থাকা পিতৃতান্ত্রিকতা সম্বন্ধে পাঠককে সচেতন করুন।
৫) অনুবাদকের ভূমিকাঃ অনুবাদকের ট্র্যাডিশানাল নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পরিত্যাগ করে সক্রিয়ভাবে মূল লেখা ব্যাখ্যা করুন। অনুবাদকের মতাদর্শ, পরিপ্রেক্ষিত, ও সাংস্কৃতিক অবস্থান বিশদ করুন। ঔপনিবেশিক রাজনীতি সম্পর্কে সচেতনতা অনুবাদে আনুন। গল্পের চরিত্রগুলি বিশ্লেষণ করুন নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে।

নারীবাদী অনুবাদ নিয়ে আমার দুটি অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে একটু লিখি। প্রথমটি হল অহনা বিশ্বাসের নভেলা ‘কারাবাস।’[1] নভেলাটি পড়ে মুগ্ধ হয়ে আমি লেখকের কাছে অনুবাদ করার অনুমতি চাই। তখন বইটি নিয়ে অহনার সঙ্গে আমার বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা চলেছিল। অহনা যে ভাবে বইটি ব্যাখ্যা করেছিলেন আমার উপলব্ধি ছিল তার বিপরীত। নভেলার নায়িকাকে আমি দেখেছিলাম এক প্রতিবাদী নারী হিসেবে। সেই বিশ্লেষণ আমি একটি মুখবন্ধ লিখে প্রকাশ করি।
The exceptional protagonist of Karabas, Pari, is an incongruous blend of heroine and villain, victim and criminal, pathetic and revolting. She embodies the decisive disruption of the fundamental order on which most societies function – gender roles. In challenging the traditional feminine gender role, Pari claims the feminist assertion that we must move away from viewing a woman in reference to her relationships with men – daughter, sister, wife, and mother. Women must be regarded independently as individuals with hopes, desires, emotions, and motives of their own.
অনুবাদ প্রকাশের পরে আমার মনে হয়ছে স্বয়ং লেখক এই চরিত্রটি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করেছেন।
দ্বিতীয় অনুবাদটি হল কবিতা সিংহের উপন্যাস ‘চারজন রাগী যুবতী।’[2] উপন্যাসের চারটি নারী চরিত্র সম্বন্ধে লিখেছিঃ

When I was translating Kabita Singha’s চারজন রাগী যুবতী or Four Angry Women, the four characters, Bulan, Renu, Suman, and Chuni, jumped out at me not as teenagers on the verge of womanhood but as young women angry at patriarchal conventions, society’s oblivion to their oppression, and their struggles to be free. The subterranean theme was their subtle subversion of patriarchy and constant push back. I felt I would do the characters an injustice if I had confined them to young, silly girls exploring their sexualities
on the backdrop of Kolkata.
নারীবাদী অনুবাদ সম্বন্ধে আমি নতুন শিখছি। তবে এটুকু বুঝেছি নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে অনুবাদ করতে হলে সক্রিয় অনুবাদক হতে হবে। শুধু সঠিক রচনা বাছাই করা নয়, অনুবাদের মধ্যে নারীবাদী পরিপ্রেক্ষিত মিশিয়ে দিতে হবে শব্দচয়ন, বাক্যগঠন, বানান, আর সমাজে নারীর অবস্থান স্পটলাইট করে।
———-
পাদটীকা
[1] The Caged. অনুবাদটি The Antonym Collections প্রকাশ করেছে ২০২৪ সালে।
[2] Four Angry Women. অনুবাদটি The Antonym Collections প্রকাশ করেছে ২০২৫ সালে।
———-
তথ্যঋণ
Chen, Z. and Zhang, X. (2016). Translator’s subjectivity in feminist translations – A case study of Eileen Chang’s translation practice. Advances in Social Science, Education and Humanities Research, 85, 602-606.
Flotow, L. V. (1991). Feminist translation: Contexts, practices and theories. Erudit, 4, 69-84.
Heng, X. (2019). On translator’s subjectivity from the feminist translation perspective. DEStech Transactions on Social Science Education and Human Science. DO – 10.12783/dtssehs/icesd2019/28224.
Irshad, I. and Musarat, Y. (2022). Feminism and literary translation: A systematic review. Heliyon. Available: https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S240584402200370X
ছবিঃ অন্তর্জাল থেকে সংগৃহীত।
