শুভ শারদোৎসব
অবসর পত্রিকার তরফ থেকে আমাদের সকল লেখক, পাঠক, শুভানুধ্যায়ীকে জানাই আগামী শারদোৎসবের শুভেচ্ছা। আপনাদের সবাইকার উৎসব সানন্দে কাটুক। শরতের সোনা রোদ্দুরে খুশির হালকা মেঘ আকাশে উড়ে উড়ে বেড়াক।
সব কিছুই কিন্তু খুশির নয়। হঠাৎ করেই আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন আমাদের প্রিয় অভিনেতা নানা পাটেকর। বিভিন্ন বিচিত্র চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আমাদের মন কেড়েছেন বারংবার। অনেক পুরস্কারে অভিনন্দিত হয়েছেন, দর্শকের কাছেও তিনি অতি প্রিয়। শেষের দিকে তিনি তাঁর বন্ধুর সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন একটি সমাজসেবী সংস্থা। তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আমরা শেষ মুহূর্তে দুটি লেখার আয়োজন করতে পেরেছি। লেখক ভাস্কর বসু এবং সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়।
শিল্প – সংস্কৃতি বিভাগে আরও তিনটি লেখা থাকছে – লেখকরা যথাক্রমে ব্রতী গায়েন, অগ্নীশ্বর সরকার এবং রাখী শীল আঢ্য
পুজোর সঙ্গে বাঙালির ভ্রমণের ওতপ্রোত যোগ। এই উৎসব সংখ্যাতেও রইল তিনটি ভ্রমণ কাহিনি। লিখেছেন সঙ্গীতা ঘোষাল, ইন্দ্রাণী গুহ এবং বিজয় লক্ষ্মী মুখার্জী।
সাহিত্য বিভাগে বাংলা ও বিশ্ব সাহিত্য সংক্রান্ত তিনটি লেখা রয়েছে অমিত চক্রবর্তী, কৌশিক চট্টোপাধ্যায় এবং রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমে।
অভীক দাস এবং এণাক্ষী কয়াল মণ্ডলের দুটি লেখায় সমৃদ্ধ ‘নারী ও সমাজ’ বিভাগ।
আমাদের রম্যরচনা ও ব্যক্তিগত বিভাগ দুটি বরাবরই আপন বৈচিত্র্যে পূর্ণ। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুই বিভাগে লেখার সংখ্যা পাঁচটি। লিখেছেন সুমেধা চট্টোপাধ্যায়, রুমি বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ মাশ্চরক, পরমার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মধুমিতা রায়।
বই-টই বিভাগে তাঁদের বইপড়ার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের শোনালেন তপন রায়চৌধুরী, নয়ন বসু এবং আনন্দিতা চৌধুরী।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ কলরব রায়ের অন্য ধরণের একটি লেখা রইল দর্শন-রাজনীতি-ইতিহাস বিভাগে। ‘স্মরণে’ বিভাগেও শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায় রচিত একটি লেখা রইল।
আমাদের পত্রিকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত লেখা কমে আসছিল, এই সংখ্যায় আমরা পেয়েছি একটি লেখা – লিখেছেন বুমা ব্যানার্জী দাস।
সব মিলিয়ে মোটামুটি আমাদের উৎসব সংখ্যা উৎসবের দিনগুলির মতই জমজমাট। আপনারা সানন্দে উপভোগ করুন, উৎসব ও অবসর দুই ই।
আপনাদের সুচিন্তিত মতামত কমেন্টস এ জানিয়ে পত্রিকার লেখকদের উৎসাহিত করার কথা আবার জানিয়ে গেলাম।
