পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ দেবর্ষি সারগীর ‘শ্রেষ্ঠ গল্প’

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ দেবর্ষি সারগীর ‘শ্রেষ্ঠ গল্প’

বইঃ শ্রেষ্ঠ গল্প 
লেখকঃ দেবর্ষি সারগী 
প্রকাশকঃ করুণা প্রকাশনী 
মূল্যঃ ৮০০ টাকা 

দেবর্ষি সারগী। এক অন্য ঘরানার লেখক, সম্ভবত কারুর সঙ্গেই মিলবে না। বলতে গেলে তাঁর তুলনা তিনিই। তাঁর অনেক গল্পই উত্তম পুরুষে লেখা। এটার কারণ সম্ভবত, তিনি নিজে চরিত্রের মধ্যে ঢুকে গল্প বলতে ভালোবাসেন, যেন তিনিই সেই চরিত্রটি, যার ফলে সেই বিশেষ চরিত্রটি এবং সংশ্লিষ্ট পার্শ্ব-চরিত্ররা জীবন্ত হয়ে ওঠে পাঠকের কাছে। মানুষটি স্বভাব-নীরব। সভা-সমিতিতে থাকলে উনি নীরব থাকতেই ভালোবাসেন, কিন্তু চারপাশ লক্ষ করেন বেশ সপ্রতিভ দৃষ্টিতে। এটা আমার নিজের দেখা ছবি। অথচ সেই একই মানুষ সরব হয়ে ওঠেন কোনো বিশেষ পরিবেশে বা পরিস্থিতিতে। একসময় আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর একটি সাক্ষাৎকার নেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম মুখোমুখি আলাপের টানা চার ঘণ্টায় আমি ছিলাম প্রায় নীরব শ্রোতা এবং তিনিই বক্তা, যা আমি জীবনে কোনোদিন ভুলব না।

সরাসরি গল্পে যাওয়ার আগে শব্দসংখ্যার বিচারে তাঁর গল্পের একটা বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। যেমন এই বইটিতে মোট ৪৫টি গল্প আছে। সাধারণভাবে এই লেখকের গল্প খুব বেশি বড়ো হয় না। এমনকি উপন্যাসের ক্ষেত্রেও একথা বলা যায়। একটা ছোট্ট হিসেব দিলেই বোঝা যাবে। যেমন, আলোচ্য বইটিতে ৪৫টি গল্পের মধ্যে ৩৮টি গল্পই মোটামুটিভাবে ৮ বা ৮ পাতার নীচে। তার মধ্যে ১২টি গল্প হচ্ছে ছয় বা ছয় পাতার সামান্য বেশি। এমনকি দু’পাতা কিংবা তিন পাতার গল্পও আছে। অর্থাৎ অল্প শব্দসংখ্যার মধ্যেই তিনি একটা গল্প লিখতে পারেন। বেছে বেছে কয়েকটি গল্প নিয়ে বলি এবার।

গল্পের নাম ‘ভয়।’ উত্তম পুরুষে লেখা। কথক এক রাতে এমন এক জায়গায় উপস্থিত হয়েছেন যেখানকার বাসিন্দা ভিন্ন ধর্মের। যদিও কথকের সঙ্গে সেখানকার কোনো মানুষের কোনো বিবাদ হয়নি কখনও (তবে অতীতে এই দুই ধর্মের মানুষদের মধ্যে অনেকবার ঝগড়াঝাটি হয়েছে, কিন্তু কথকের সঙ্গে সরাসরি নয় কখনোই)। অথচ কথকের ভয় লাগছে, তাকে হয়তো মেরে ফেলা হতে পারে। একসময় সেই রাতে ভিন্ন ধর্মের একটি লোকের সঙ্গে কথকের আলাপ হল এবং দুজনেই পরস্পরের প্রতি যথেষ্ট মানবিক হয়ে উঠল আগাগোড়া কথাবার্তায়। বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেল দুজনের মধ্যে। সকাল হলে কথক যখন নিজের এলাকায় ফেরত যাচ্ছেন এবং সুপরিচিত ভিন্ন ধর্মের মানুষটিকে বন্ধুতার সূত্রে প্রস্তাব দিলেন তার বাড়িতে যাওয়ার জন্য, সেই লোকটি রাজি হল না। সে পরিষ্কার স্বীকার করল তার ভয় করছে কথকের এলাকায় যেতে। আসলে ভিন্ন ধর্মের দুটি মানুষের অবচেতনে স্থায়ীভাবে  ঢুকে আছে ভয়—যেটা কাটিয়ে ওঠা দুজনের পক্ষেই মুশকিল।

গল্পের নাম ‘প্রেম।’ প্রেম নিয়ে এমন বিশ্লেষণাত্মক গল্প আমি আজ পর্যন্ত পড়িনি। গল্পটির শুরুও অদ্ভুত, উপস্থাপনাও ইউনিক। গল্পের শুরুটা এইরকম – গল্পকারকে সবাই ঘিরে ধরে বললেন প্রেম নিয়ে কিছু বলতে। গল্পকার প্রথমেই বললেন, ‘প্রেম হল আত্মখনন, বুকের ভেতর একটা শূন্যতা একটা কুলুঙ্গি, একটা জায়গা খোঁড়া যাতে অন্য কেউ সেখানে বাস করতে পারে। যে অখণ্ড থাকতে ভালোবাসে সে প্রেম করে না। প্রেমিক সর্বদাই খণ্ডিত মানুষ।’ অর্থাৎ প্রেম সম্পর্কে প্রথমেই একটা বলিষ্ঠ মন্তব্য। আর, সেই কুলুঙ্গি তৈরি হলে যার জন্য সেটা তৈরি হল তাকে প্রবেশ করতেই হয়, নাহলে একরকম সর্বনাশ। এইভাবে বলে গল্পে কিছু উদাহরণ দিলেন গল্পকার- 

১) একটি মেয়ে তীব্র ভালোবেসেছিল একটি ছেলেকে। কিন্তু ছেলেটি নয়। মেয়েটি নিজেকে শেষ করে দিল।

২) একটি ছেলে ভালোবেসেছিল একটি মেয়েকে, কিন্তু মেয়েটি সেভাবে নয়। ছেলেটি শেষমেষ মেয়েটিকে খুন করে নিশ্চিন্ত হল।

৩) গল্পকারের মতে, সবসময় যে এমন নিষ্ঠুরতা থাকে তা নয়। গল্পকারের ভাষায়—‘ফাঁকা কুলুঙ্গিতে কেউ কেউ একটা প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে জানে।’ সরল গদ্য অথচ কী সুন্দর করে বলা! তেমনই একটা উদাহরণ গল্পকার দিয়েছেন যেখানে বিবাহিত স্ত্রী তার স্বামীর একটি পূর্ব-প্রণয়ের কথা তো জেনেও স্নেহভরে কাছে টেনে নিয়েছেন। গল্পের চলন এমনই, পাঠক গল্পটি পড়লে সত্যিই মুগ্ধ হবেন, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।     

‘আগন্তুক।’ উত্তম পুরুষে লেখা। গল্পটি আমার মতে একটি প্রতীকী গল্প। পুরোনো কলকাতার পাড়ার একটি বাড়ির সামনে রাত দেড়টা নাগাদ একটি যুবক দাঁড়িয়ে। জানলার কাছে গৃহকর্তা বসেছিলেন। তার ঘুম আসছিল না। তিনি যুবকটিকে ডাকলেন তাঁর বাড়িতে। জিজ্ঞেস করাতে যুবকটি বলল, সে হরপ্পা থেকে এসেছে। প্রথম চমকানি এখানেই। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের একটি জায়গা হরপ্পা থেকে একটি লোক এসে রাত দেড়টায় কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে… ভদ্রলোক তার স্ত্রীকে ডাকলেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই খুব অবাক – সেই সুদূর হরপ্পা থেকে… কলকাতায় আসতে কতদিন লেগেছিল সে জানে না… এখানে কাটিয়েছে কুড়ি দিন একুশ রাত… আজই সে ফিরবে… কবে পৌঁছবে তাও জানা নেই। উত্তরোত্তর তাদের অবাক হওয়ার পালা! অদ্ভুত এক কল্পনার আবহ। কলকাতা শহরটা তার কেমন লাগল বলাতে বলল – পাতাল রেল ভালো লেগেছে, ভালো লেগেছে গঙ্গা, শহরের উঁচু উঁচু বাড়ি খারাপ লাগেনি, কিন্তু একটাও কুয়ো নেই দেখে খারাপ লাগল। তাদের দেশের কথা জানতে চাইলে যুবকটি বলল, ওদের দেশের লোকেদের নেশা নীরবে রাস্তা এবং অলিগলি দিয়ে নীরবে হেঁটে যাওয়া – দিনে বা রাতে যে-কোনো সময়, কখনও একা, কখনো-বা দল বেঁধে। বিস্ময় লাগে এরকম একটা ছবি ভাবতে… এবং সেই হাঁটা উদ্দেশ্যবিহীন, যেন এইরকম হাঁটার মধ্যেই রয়েছে পূর্ণ আনন্দ এবং শান্তি। গল্পের একটি লাইন, ‘রাতের আকাশে অসংখ্য নক্ষত্রের দিকে তাকিয়ে বৃদ্ধেরা শিশুর মতো অবাক হয়।’ সত্যিই, অবাক হওয়ার মধ্যে যে একটা আনন্দ আছে, আমরা তো ভুলে গেছি। গল্পের শেষে স্বামী-স্ত্রী যখন তাকে এখানে থাকার কথা বলল, যুবকটি বলল, সে এখানে থাকতে চায় না, কারণ… ‘এখানে সব বড় আলোকিত, রাতেও অন্ধকার নেই।’ অর্থাৎ নিভৃতি নেই, আছে শুধু চাকচিক্য, হট্টগোল, … আজকের জগতের চেহারা… ফলে অশান্ত সবকিছু! যুবকটি যেন একটি শান্তির বার্তা দিয়ে গেল। বেশ অবাক করার মতো গল্প।

‘অন্ধকার।’ এটিও উত্তম পুরুষে লেখা। প্রথমেই বলি, কিছু অনুভব আছে যা ভাষায় প্রকাশ করা বেশ কঠিন। গল্পটি পড়ে আমার তেমনটাই মনে হল। তবুও চেষ্টা করছি। একটি লোক অনুসরণ করছে অন্য একজনকে, তার নিষেধ সত্ত্বেও। অনুসরণকারীর খাবার বা আশ্রয়ের দরকার নেই। তার সব আছে, শুধু মন ভালো নেই, মন আশ্রয়হীন। তার দৃঢ় বিশ্বাস দ্বিতীয় লোকটি তাকে ভালো রাখবে। এমন একটি গল্পের শেষটা জানতে বড় ইচ্ছে করবে। গল্পের শেষাংশের কথোপকথন বেশ ইন্টারেস্টিং। যাকে অনুসরণ করা হচ্ছে, তিনি বলছেন –

‘আমাকে কি কোথাও দেখতে পাচ্ছ?’
‘না,’ …
‘চারপাশে কি কিছু দেখতে পাচ্ছ?’
‘না।’
‘নিজেকেও কি দেখতে পাচ্ছ?’
‘না।’
‘তবুও অনুভব করতে পারছ তুমি টিকে আছ। অনেকদিন পর তোমার আশ্চর্য ভালও লাগছে। মনে রেখো আলো যেমন পথ দেখায়, তেমনি অন্ধকারও পথ দেখায়।’

এর কি সত্যিই কোনো ব্যাখ্যা হয়? শুধু চুপ করে ভাবতে হয়, অনুভব করতে হয়!         

‘দাঙ্গা-১।’ দাঙ্গা বলতে আমাদের মধ্যে একটা চিত্রই ভেসে ওঠে, ‘যখন দাঙ্গার সময় অন্যদের ইচ্ছেটাই সব’ – এই বাক্যটি গল্পের দুই জায়গায় অবিকল উচ্চারিত হয়েছে এবং একেবারে শেষদিকে একটু অন্যভাবে তবে একই অর্থে – ‘দাঙ্গার সময় নিজের কিছুই করার থাকে না।’ এবং গল্পের পরিণতি সেভাবেই ঘটল। একটি পরিবারের কর্তা দরজায় তালা লাগিয়ে তার স্ত্রী-পুত্র-কন্যা-মা সবাইকে নিয়ে দাঙ্গার জায়গা থেকে চলে যাচ্ছে – তাদের ছোটো ছেলে এবং তার প্রেমিকাকে এই কথা বলে – ‘এবার নিজের নিজের পথ দেখো।’ গল্পটি উত্তম পুরুষে লেখা। কথক অর্থাৎ প্রেমিক (ছোটো ছেলে) সচেতনভাবে তার প্রেমিকাকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছে আগাগোড়া, সম্ভবত পাঠকের স্বাধীন ভাবনাকে প্রশ্রয় দিতে। নিরাপদ আশ্রয় মনে করে একটা ভাঙ্গা প্রাচীরঘেরা জায়গায় ঢুকে পড়ল তারা দুজন। এবং সেখানেই গল্পের ভয়াবহ পরিণতি। দুটি খারাপ লোকের সম্মুখীন হল তারা। তাদের শর্ত, মেয়েটিকে তাদের হাতে ছেড়ে দিলে ছেলেটি মুক্তি পাবে, নাহলে দুজনকেই মেরে ফেলা হবে অথবা মেয়েটি যদি ‘ত্যাদড়ামো’ করে তাহলেও একই পরিণতি। এই শর্তে বাধ্য হয়ে সম্মত হল তারা। ছেলেটি মেয়েটির হাত ছেড়ে দিল, নাহলে মেয়েটিকে মেরে ফেলা হবে, যা সে চায় না। আবার মেয়েটিও ছেলেটির হাত আর ধরল না, কারণ, ছেলেটিকে মেরে ফেলা হবে সেক্ষেত্রে, সেটাও সে চাইবে কী করে! ভালোবাসা এমনই! গল্পের শেষ লাইনটি পাঠককে স্তব্ধ করে দেয় – ‘ভেজা অভিমানী চোখে আমি এক মুহূর্ত তাকালাম তার পাথুরে মুখের দিকে, তারপর ছুটে গেলাম সেইদিকে, যার ভেতর নিশ্চয়ই আছে অগাধ জল, অন্ধকার এবং জন্মের পর থেকে পাওয়া আমার একমাত্র স্বাধীনতা।’ পাঠক নিশ্চয়ই ভাবছেন, ছেলেটির পরিণতি কী হতে পারে!

‘দাঙ্গা-২।’ এটাও উত্তম পুরুষে লেখা। দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে এ এক অদ্ভুত গল্প, যেখানে একটা মানুষের মধ্যে যে-পাশব প্রবৃত্তি লুকিয়ে থাকে, তাকে যেন প্রকট করা হয়েছে গল্পটিতে। সাধারণভাবে একটা ছোট্ট উদাহরণ – রাস্তাঘাটে কোথাও কোনো গণ্ডগোল, কেউ কাউকে ধমকাচ্ছে বা মারধর করছে, এসব দেখলে সেই মুহূর্তে আমরা সচরাচর দাঁড়িয়ে যাই, দেখি। কেন? সম্ভবত আমাদের ভেতরের জান্তব প্রবৃত্তি সেইসব ঘটনা দেখতে উৎসাহিত করে। এই প্রবৃত্তি চরম হলে বোধহয় মানুষ একটা হত্যা দেখে আনন্দ পায়। এই থিম নিয়েই গল্পটা এগিয়েছে। দাঙ্গা চলাকালীন একটা পরিবার হত্যালীলা দেখবে বলে বাড়ির নীচের দরজা বন্ধ করে ছাদে উঠেছে। ব্যতিক্রম শুধু বাড়ির নরম ছেলেটি, যাকে জোর করে তার মামা টেনে এনেছে ছাদে। কিন্তু সারাদিন অপেক্ষা করেও শেষমেষ একটও হত্যাকাণ্ড দেখা গেল না বলে পরিবারের সকলের রাগ গিয়ে পড়ল নরমসরম ছেলেটার ওপর, যেন ওর কারণেই সেসব দৃশ্য সবাই দেখতে পেল না। অদ্ভুত এক মনস্তাত্ত্বিক পরিসমাপ্তি!

এরকম আরও অনেক গল্প আছে যা নিয়ে বলা যায়, তবে একটা জায়গায় তো থামতেই হয়। বইটি করুণা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত। সংগ্রহে রাখার মতো একটি বই, নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এবং আমরা যারা লেখালেখির চেষ্টা করি, আমার ধারণা, এই বইটি পড়লে মনে হতে পারে, এভাবেও গল্প লেখা যায় তাহলে!! লেখক দেবর্ষি সারগীকে ধন্যবাদ, এমন একটি বই আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।

৫ জানুয়ারী ১৯৫৩ কলকাতায় জন্ম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পাঁচ বছর পড়াশোনা। নিউক্লিয়ার ফিজিক্স নিয়ে পি এইচ ডি। ১৯৯১ – ২০০২ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ে তারাতলার ইন্সটিটিউট অব হোটেল ম্যানেজমেন্টে অধ্যাপনা। ২০০২ – ২০১৩ কলকাতার নেতাজীনগর ডে কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে অধ্যাপনা। তারপর প্রথাসম্মত অবসর। অবসরের পর পাঁচ বছর ধরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট লেকচারার। কলেজ জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। প্রথমদিকে কবিতা, তারপর নিয়মিত গল্প লেখা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, বইয়ের রিভিউ। এখন পুরো সময়টা কাটে সাহিত্য চর্চায়। ‘কণিকামাত্র’ এবং ‘অণুরেণু’ অণুগল্পের দু’টি সংকলন। ‘গল্প পঞ্চদশ’ পনেরোটি ছোটোগল্পের একটি সংকলন। এছাড়া খুব সম্প্রতি প্রকাশিত একটি উপন্যাস ‘কোভিডের দিনগুলি’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *