লেহ: নীল আকাশের নীচে নীরব যাত্রা
আজ সকালটা শুরুই হল একটু “ধড়ফড়ানি-ধাঁচের রোমাঞ্চ” দিয়ে। আমি যথারীতি ভোর পাঁচটাতেই উঠে পড়েছি—সেটা নাকি আমার দেহঘড়ির সাংবিধানিক অধিকার! কিন্তু দলের বাকিরা তখনও ঘুমিয়ে এমনভাবে শুয়ে আছে, যেন এভারেস্টের চূড়াতেও ঘুমের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে।
নিত্যকর্ম সেরে গরম চায়ের প্রথম সুখময় চুমুকটা নিতে না নিতেই খবর এল— “আমাদের সেনাপতি অসুস্থ!” আমি থমকে গেলাম। সেনাপতি বলতে রুদ্র—যার GPS – সাহস, যুক্তি, এমনকি মাঝে মাঝে আমাদের মেজাজ পর্যন্ত আপডেট করে দেয়। সে অসুস্থ হলে ট্রিপের হৃৎপিণ্ডই থেমে যাওয়ার উপক্রম!
ইন্টারকমে শর্মিষ্ঠাকে ধরতেই জানা গেল গত রাতে রুদ্রকে অক্সিজেন দিতে হয়েছিল। আমি তো ভাবলাম, এ নিশ্চয়ই রুদ্রের সেই পুরোনো কৌশল—“একটু ড্রামা করো, দল আরও আদর করবে!” কিন্তু না, ব্যাপারটা সত্যি-সত্যিই সিরিয়াস ছিল।
সাত নম্বর ঘরে ছুটে যেতেই দেখি রুদ্র শয্যায় শুয়ে আছে, মুখে সেই বিখ্যাত ‘কিছু না, কিছু না’ হাসি—যেন বলছে, “আরে, এটা তো আমার রোজকার সিস্টেম রিবুট!” এদিকে আমরা সবাই দাঁড়িয়ে এমন মুখ করে ছিলাম, যেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম অক্সিজেন প্রদানের ঘটনা প্রত্যক্ষ করছি।
তারপরই আমাদের দলীয় জরুরি অধিবেশন বসে গেল—
ট্রিপ বন্ধ?
রুদ্র-শর্মিষ্ঠা ফিরে যাবে?
আমরা এগোব?
নাকি সবই বাতিল?
কিন্তু দলের কেউই রুদ্রকে ছেড়ে কোথাও যেতে রাজি নয়। সেনাপতি ছাড়া নাকি আমাদের হাঁটাচলারও দিক বেরোয় না—এটাই ভোটের ফল। তাই ঠিক হল—আজ বিশ্রাম। সেনাপতি সুস্থ, দল খুশি। আজ কেউ চাইলে আশপাশের দর্শনীয় স্থান দেখে আসতে পারে, আর বাকিরা রুদ্রের bedside নৈতিক সমর্থন দেবে—মোটামুটি ICU-এর আবহ, তবে আলাপচারিতা বেশি।
অবশেষে আমরা কয়েকজন—আমি, সোমালি, সুবীর-মানসী, সুশান্ত-ভ্রমর ও নীলাঞ্জনা বেরিয়ে পড়লাম। বাকিরা থেকে গেল সেনাপতির bodyguard cum cheerleader দল হিসেবে।
এভাবেই আমাদের দিন শুরু: চা, দৌড়ঝাঁপ, সভা-সমিতি, অক্সিজেন-ড্রামা, আর শেষে একটু রোদ-হাসির সঙ্গে পরবর্তী অভিযানের মহড়া! আমাদের সারথি টান্ডুপ দর্জি গাড়িতে স্টার্ট দিয়েই জিজ্ঞেস করল, “আজ ইতনাহি, বাকি সব আরাম কর রহে হ্যায়?” খানিকটা পথ পেরিয়ে এসে থামল— টান্ডুপ বলল, “এই হল হেমিস মনাস্ট্রি, দেখে আসুন। আপনারা একটা দিন আগে আসলে হেমিস উৎসবটা দেখতে পেতেন। গতকালই শেষ হয়ে গেছে।”
লাদাখের কঠিন পাহাড়ের কোলে, লেহ থেকে প্রায় ৪৫ কিমি দূরে হেমিস গ্রামে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে হেমিস মঠ—এলাকার সবচেয়ে বড়ো, সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং সবচেয়ে শান্ত (পর্যটক না এলে) দ্রষ্টব্য। একদিকে গভীর আধ্যাত্মিকতা, অন্যদিকে রঙিন সংস্কৃতি—সব মিলিয়ে হেমিস এমন এক জায়গা, যেখানে মন শান্ত হয় আর ক্যামেরা একটানা কাজ করে যায়।
দ্রুকপা বংশধারার এই মঠের শিকড় ১১শ শতকেরও আগে। ১৬৭২ সালে লাদাখের শক্তিশালী রাজা সেনগে নামগ্যাল একে নতুন করে প্রতিষ্ঠা করেন। মহাযোগী নারোপার স্মৃতিবাহী এই মঠ কাগ্যু ধারার প্রধান কেন্দ্র—অর্থাৎ এখানে ধ্যান শুধু অভ্যাস নয়, উত্তরাধিকার। ফ্রেস্কো, কাঠখোদাই, দেবদেবীর চিত্রে সাজানো হেমিস যেন এক জীবন্ত মিউজিয়াম। প্রাচীন পাণ্ডুলিপির লাইব্রেরিতে এমন ভাষাও আছে, যেগুলো আজ ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। আর আছে গুরু পদ্মসম্ভবের বিশাল থাংকা—১২ বছরে যা মাত্র একবারই দেখা যায়, তাই অপেক্ষাই এখানে শ্রেষ্ঠ তপস্যা।
জুন–জুলাইয়ে চাঁদের ইশারায় বসে হেমিস উৎসব—গুরু পদ্মসম্ভবের জন্মোৎসব। ভিক্ষুদের চাম নৃত্য, রঙিন মুখোশ, ঢোল-ঝাঁঝরের তালে বোঝা যায়—এখানে ভালোর জয় ঘোষিত, মন্দের ছুটি মঞ্জুর। ১২ বছরে একবার নারোপা উৎসবে মঠের গোপন ধনভাণ্ডার প্রকাশ্যে আসে—ধ্যান তখন দর্শকের চোখে। কিন্তু এসবই আমরা মিস করলাম, কারণ অকালবৃষ্টির দরুন পথ ভেঙে যাওয়ায় আমাদের সমস্ত পথ সেই কার্গিল হয়ে আসতে হয়েছিল, ফলে একটা দিন না চাইতেও নষ্ট হয়ে যায়।
ক্রিসমাস এলেই ইতিহাস যেন হালকা গলায় প্রশ্ন তোলে— “যিশু খ্রিস্টের ‘নিখোঁজ’ বছরগুলো তিনি কোথায় কাটালেন?” বাইবেল জানায়, “কৈশোরের পর যিশু হঠাৎ দৃশ্যপট থেকে উধাও। আবার যখন ফিরে এলেন, তখন তিনি তিরিশের যুবক—অসাধারণ জ্ঞানী, আত্মবিশ্বাসী ও আধ্যাত্মিক।”
তাহলে এই দীর্ঘ সময়টা গেল কোথায়? কিছু ঐতিহাসিকের মতে—ভারতে! সময়কাল প্রায় ১৭ বছর—বৌদ্ধধর্ম আর বেদের পাঠ নিতে।
১৮৯৪ সালে রুশ পর্যটক নিকোলাস নোটোভিচ তাঁর বই The Unknown Life of Christ-এ দাবি করেন, লাদাখের হেমিস বৌদ্ধবিহারে তিনি ‘সেন্ট ইসা’-র জীবনকথা সংক্রান্ত তিব্বতি পাণ্ডুলিপি দেখেছেন। সেখানে যিশুকে বলা হয়েছে ‘ইসা’—যিনি নাকি কাশ্মীর, পঞ্জাব, বেনারস আর পুরী পর্যন্ত ঘুরে বেড়িয়েছিলেন জ্ঞানসন্ধানে।
হেমিস মঠের লামারাও লোককথায় বলেন—
“হ্যাঁ, ইসা এসেছিলেন। বুদ্ধের শিক্ষা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।” এই কিংবদন্তি যাচাই করতে স্বয়ং বাঙালি সন্ন্যাসী স্বামী অভেদানন্দ হিমালয়ে গিয়ে কাশ্মীর ও তিব্বতি গ্রন্থে ‘ইসা-কাহিনি’-র বাংলা অনুবাদ তুলে ধরেন।
রুশ দার্শনিক নিকোলাস রোরিখ লিখেছেন, যিশু বেনারস ও রাজগৃহে ছিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশতেন—আর এই মানবিক আচরণে কিছু ব্রাহ্মণের ভ্রূ কুঁচকে যায়! জার্মান গবেষক হোলগার কারস্টেন বলেন, যিশু সিন্ধু নদীর তীর ধরে এসেছিলেন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে, জৈনদের কাছেও কিছুদিন ছিলেন, তারপর পুরী হয়ে হিমালয়ে ধ্যানসাধনায় মগ্ন হন।
কেউ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন—ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পরও যিশু নাকি আবার ভারতে এসে কাশ্মীরে দীর্ঘকাল কাটিয়েছেন! সুতরাং প্রশ্ন থেকেই যায়—
যিশু কি শুধু গালিলির পথচারী ছিলেন, নাকি ভারতীয় আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আগন্তুক ছাত্র? ইতিহাস নিশ্চুপ, কিন্তু কল্পনার ক্লাসরুম বেশ জমজমাট।[i]
সংক্ষেপে, হেমিস মঠ মানে—ধ্যান করবে মন, উৎসব করবে চোখ, আর পাহাড় বলবে, “ধীরে চলো।”
২৩–২৪ কিলোমিটার পথ পেরোনোর পর হঠাৎই আমাদের গাড়ি এসে থামল—গন্তব্য: থিকসে মনাস্ট্রি। নামটা যত শান্ত, বাইরের আবহাওয়া ততটাই উত্তপ্ত! রোদ যেন ঘোষণা করেছে—“ধ্যান চাইলে আগে ঘাম ঝরাও।”
নামার পর জানা গেল, মনাস্ট্রিতে যেতে হলে একটু হাঁটতে হবে। এই ‘একটু’ শব্দটা শুনেই দলের অধিকাংশ মুখ এমন হল, যেন হঠাৎ ট্রেকিংয়ের নোটিস দেওয়া হয়েছে। তবে এসেছি যখন, না দেখে যাওয়াটা তো ভ্রমণ-আইনের গুরুতর লঙ্ঘন! আমি বললাম, “দেখেই যাই—মনাস্ট্রিটাও তো আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।” সোমালি সঙ্গে সঙ্গে সায় দিল, “ঠিক বলেছ কাকু, চলো।”
ব্যস, আমরা দুজন নেমে পড়লাম মনাস্ট্রি-হান্টে! থিকসে মনাস্ট্রি লেহ শহরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, থিকসে গ্রামের ওপর একটা পাহাড়ের গায়ে বসে আছে। উচ্চতা প্রায় ৩৬০০ মিটার (১১৬০০ ফিট)—অর্থাৎ হাঁটতে হাঁটতে অক্সিজেন একটু ‘ভাবনা-চিন্তা’ করে নেয়।
১৫শ শতকে পন শেরাব রাসপা এই মনাস্ট্রিটি প্রতিষ্ঠা করেন, আর ধীরে ধীরে এটি লাদাখের সবচেয়ে বড়ো বৌদ্ধ মঠগুলোর একটি হয়ে ওঠে। দূর থেকে দেখলে মনাস্ট্রিটা এতটাই রাজকীয় দেখায় যে সবাই একবাক্যে বলে— “মিনি পোতালা!” তিব্বতের পোতালা প্রাসাদের মতো ধাপে ধাপে তৈরি এই মঠের গা লাল-হলুদ রঙে রাঙানো—যেন পাহাড়ের বুকেই রোদ্দুর থেমে গেছে।
সবচেয়ে বড়ো আকর্ষণ অবশ্যই মৈত্রেয় বুদ্ধ। দু-তলা জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ১৫ মিটার (৪৯ ফুট) উঁচু এই বুদ্ধমূর্তি দেখে মনে হয়—ভবিষ্যৎ নিজেই এসে দাঁড়িয়ে আছে! বলা হয়, মৈত্রেয় বুদ্ধ হলেন ভবিষ্যতের বুদ্ধ—যখন দুনিয়া একেবারে গুলিয়ে ফেলবে, তখন তিনি এসে আবার সব ঠিকঠাক করে দেবেন। এই ১২ তলা মনাস্ট্রিতে আছে—১০টা মন্দির, একটা বিশাল প্রার্থনা সভাকক্ষ, প্রায় ১২০ জন সন্ন্যাসী, এমনকি আলাদা নানারি পর্যন্ত! মানে আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে সম্পূর্ণ ‘রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স।’ মনাস্ট্রির ছাদে উঠলে চোখ জুড়িয়ে যায়—নীচে বয়ে চলেছে সিন্ধু উপত্যকা, দূরে বরফঢাকা পাহাড়, পাশে শে আর স্টক মনাস্ট্রির শান্ত উপস্থিতি। এই দৃশ্য দেখে ক্লান্তি এমনিতেই ছুটি নেয়।
বুদ্ধমন্দির থেকে বেরিয়ে আমরা দুজনেই তখন বেশ ক্লান্ত। গলদঘর্ম সোমালি বলল, “কাকু, এবার একটু ঠান্ডা কিছু খাওয়া যাক।” প্রস্তাবটা বেশ সময়োপযোগীই লাগল। সামনেই সিঁড়ি বেয়ে উঠলেই ছোট্ট একটা দোকান। সেখানে গিয়ে ঠান্ডা কোকের প্রথম চুমুক গলায় নামতেই রোদের রুক্ষতা আর হাঁটার ক্লান্তি যেন একটু শান্তির আশ্বাস পেল। শরীরের সঙ্গে মনটাও হালকা হয়ে গেল।
দোকানের ছায়ায় দাঁড়িয়ে দূরের দিকে তাকালাম। স্তরে স্তরে সাজানো পাহাড়, নীচে নীরব সিন্ধু উপত্যকা, আর স্বচ্ছ আকাশ—সব মিলিয়ে এক অপার্থিব শান্তি। কোনো কথা ছাড়াই সেই দৃশ্য মন ভরে গ্রহণ করলাম। অজান্তেই আবার প্রকৃতির কাছে মাথা নত করলাম।
এই গোম্পার ইতিহাসটাও কম জমজমাট নয়। গেলুগপা বা ‘ইয়েলো হ্যাট’ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শিষ্য জাংসেম শেরাব জাংপো প্রথমে স্টাকমো এলাকায় ছোটো মঠ বানান। পরে ১৫শ শতকে পালডেন জাংপো সেটাকে তুলে আনেন থিকসে পাহাড়ে। নামগ্যাল রাজবংশ এসে একে আরও বড়ো করে তোলে। ১৯৭০ সালে স্বয়ং ১৪তম দালাই লামা এখানে আসার পরই এই বিশাল মৈত্রেয় বুদ্ধ নির্মিত হয়। আজ থিকসে মনাস্ট্রি শুধু একটি মঠ নয়—এটা লাদাখের আধ্যাত্মিক ল্যান্ডমার্ক, বৌদ্ধ সংস্কৃতি, শিক্ষা আর ঐতিহ্যের জীবন্ত পাহাড়ি সংস্করণ।
সব মিলিয়ে বলতে হয়—রোদ, হাঁটা, হাঁপানি আর ঘাম—সব সার্থক হয়ে গেল। থিকসে মনাস্ট্রি দেখে মনে হল, এখানে বুদ্ধ শুধু ধ্যান করেন না—দৃশ্যপটের সেই বৈচিত্র্য দেখে মন শান্ত করতেও বিশেষজ্ঞ!
প্রায় ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় কেটে গেছে—খেয়ালই ছিল না। অবশেষে গোম্পা থেকে বেরিয়ে এলাম। ঘড়িতে তখন প্রায় একটা। মাথার ওপর চড়া রোদ, শরীরে গরমের ক্লান্তি, আর পেটের নীরব ইঙ্গিত—দুপুরের খাবারের সময় হয়েছে।
চারপাশে তাকানোর মতো আর উৎসাহ নেই। তাই কোনো চিন্তাভাবনা না করেই সোজা ঢুকে পড়লাম কাছের ছিমছাম রেস্তোরাঁটায়, নাম তার “ছাম্বা।” যদিও সত্যি বলতে আমার তেমন খিদে নেই। পাহাড়ে এলেই এটা এক পরিচিত সমস্যা—খিদে যেন ছুটি নিয়ে নেয়। না খেলেও দিব্যি থাকা যায়। কিন্তু শরীরকে তো আর পুরোপুরি আধ্যাত্মিক করা যায় না, তাকে সুস্থ রাখতে একটু জোর করেই খাওয়াতে হয়। তাই সবার জোরাজুরিতে এলোমেলো কিছু খাবার এল, আর আমি অনিচ্ছাসত্ত্বেও দায়িত্ববান পর্যটকের মতো সেগুলো খেয়ে নিলাম।
খাওয়ার শেষে আর কোনো নতুন কৌতূহল মাথা তুলল না। পথে দু-একটা ইতিহাসের ঝাপসা ফোর্ট চোখে পড়ল বটে, কিন্তু গাড়ি থেকে নামার মতো উৎসাহ তখন একেবারেই অনুপস্থিত। ইতিহাস থাক, আজ শরীরের কথাই শেষ কথা।
আর খাওয়ার পর দিবানিদ্রা তো আমাদের জন্মগত অধিকার—এ নিয়ে কোনো বিতর্ক চলে না। তাই আর কোথাও নয়, সোজা হোটেলের পথ ধরলাম।
দিনের শেষে মনে হল, ভ্রমণ মানে শুধু পথ পেরোনো নয়—সময়মতো থামতেও জানা। পাহাড় শেখায়, সবকিছু জয়ের জন্য নয়; কিছু মুহূর্ত শুধু নিজের ভেতরে ফিরেই উপভোগ করতে হয়।
———-
[i] The New Indian Express- online archive Updated on:16 May 2012, 3:31 am.
ছবিঃ লেখক।
